
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ অবদানের স্বীকৃতি। পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকার জন্য ইটাহারের মারনাই এলাকার প্রকৃতিপ্রেমী অক্ষয় পালকে সংবর্ধনা জানাতে চলেছে রায়গঞ্জ বন বিভাগ। ২০২৬ সালের বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে ৮ অক্টোবর তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

রায়গঞ্জ বন বিভাগের পক্ষ থেকে অক্ষয় পালের হাতে তুলে দেওয়া হবে প্রশংসাপত্র। সেখানে পশুপাখির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের প্রতি দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা ও অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

বনদপ্তরের প্রশংসাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আশির দশকে একটি পানকৌরিকে শিকারির হাত থেকে রক্ষা করার আন্তরিক প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই অক্ষয় পালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের পথচলা শুরু। এরপর থেকে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে কোনও যশ, অর্থ বা সম্মানের প্রত্যাশা ছাড়াই ভালোবাসা ও ভালোলাগা থেকে তিনি বন্যপ্রাণী এবং প্রকৃতি রক্ষার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

রায়গঞ্জ বন আধিকারিক ভূপেন বিশ্বকর্মা বলেন, বিশেষ করে ইটাহার ব্লকের মারনাই অঞ্চলে পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে তাঁর দীর্ঘদিনের ভূমিকা বনদপ্তরের নজর কেড়েছে। পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল রক্ষা, স্থানীয় মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং পরিযায়ী পাখিদের প্রতি সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে তাঁর উদ্যোগ অনুকরণীয়।

বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে ২ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বনদপ্তর। সেই কর্মসূচিরই অংশ হিসেবে অক্ষয় পালকে এই সম্মানে সম্মানিত করা হচ্ছে। তাঁর এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত সম্মান নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে নীরবে প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণ রক্ষায় কাজ করে চলা স্থানীয় প্রকৃতিপ্রেমীদেরও উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন পরিবেশপ্রেমীরা। সম্মাননা পাওয়ার কথা শুনে অক্ষয় বাবু বলেন, আমি যে কাজ করে চলেছি, এটা সকলেরই করা কর্তব্য। সম্মাননা পাওয়ার কথা শুনে আমি খুশী।






