Explore

Search

October 24, 2026 2:22 pm

IAS Coaching

ফিরে যাচ্ছে কুলিকের পরিযায়ী পাখির দল, শূন্যতা রায়গঞ্জের বনাঞ্চলে

#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ বর্ষার মরশুমে হাজার হাজার পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছিল রায়গঞ্জের কুলিক পক্ষীনিবাস। কিন্তু ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এবার ধীরে ধীরে নিজেদের এই আবাস ছেড়ে ফিরে যেতে শুরু করেছে পরিযায়ী পাখির দল। ফলে পাখিদের কোলাহল কমছে কুলিকের বনাঞ্চলে। যে বনাঞ্চল কিছুদিন আগেও পাখিদের ডানার ঝাপটানি আর ডাকাডাকিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল, সেখানে ক্রমশ বাড়ছে নীরবতা।

প্রতি বছর বর্ষার শুরুর দিক থেকে কুলিক পক্ষীনিবাসে আসতে শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখি। এর মধ্যে এগ্রেট, শামুক খোল, করমোরেন্ট এর মতো পাখিদের প্রজনন, বাসা তৈরি এবং ছানাদের বড় করে তোলার জন্য, এই বনাঞ্চল তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। শীতের মরশুমে পাখির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পক্ষীনিবাস ও তার আশপাশের এলাকা হয়ে ওঠে প্রকৃতিপ্রেমী এবং পক্ষীপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণ।

কুলিকের পরিচিত পাখিদের মধ্যে রয়েছে এশীয় শামুকখোল এবং বিভিন্ন প্রজাতির বক ও পানকৌড়ি পাখি। তাদের উপস্থিতিতে বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ এক অন্য মাত্রা পায়। তবে মরশুমের শেষে পাখিদের একাংশ অন্যত্র পাড়ি দেওয়ায় ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে পড়ছে গাছের ডালপালা ও বাসা বাঁধার পরিচিত স্থানগুলি।

প্রকৃতি প্রেমী তথা রায়গঞ্জ স্কুল অফ জিওগ্রাফির কনভেনর ত্রিদীপ্ত ঘোষের মতে, পরিযায়ী পাখিদের এই আসা-যাওয়া প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। তবুও পাখিদের ফিরে যাওয়ার সময় কুলিকের বনাঞ্চলে যে শূন্যতা তৈরি হয়, তা অনুভব করেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পক্ষীপ্রেমী সকলেই। আগামী মরশুমে আবারও পরিযায়ী পাখিদের কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠুক কুলিক পক্ষীনিবাস—এমনটাই প্রত্যাশা পরিবেশপ্রেমীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja