
#মালবাজার: আমাদের দেশে বছরে দুইবার দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মহারাজ রাম প্রবর্তিত অকালবোধন দুর্গাপূজা আমাদের দেশে বহুল প্রচলিত। কিন্তু রাজা সুরত কর্তৃক প্রচলিত বসন্তকালীন দুর্গাপূজা তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কম সংখ্যক হলেও অনেক জায়গায় মহাসমূহে বসন্তকালে দুর্গাপূজা হয়ে থাকে। প্রচলিতভাবে এই পূজাকে বাসন্তী পূজা বলে।

অন্যান্য জায়গার মতো ডুয়ার্সের মাল মহাকুমা এলাকায় বেশ কয়েকটি বাসন্তী পুজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মালবাজার শহরে হ্যাপি চেম্বার, ফরওয়ার্ড ক্লাব সার্বজনীনভাবে বাসন্তী পূজা করলেও পারিবারিকভাবে একাধিক পূজা এবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।থানা মোর এলাকায় দুর্গা মন্দিরে এবার নবরাত্রি সহ বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শহরের দক্ষিণ কলোনিতে বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাক্তার সুব্রত চন্দ গত বছর থেকে নিজের বাড়িতে বাসন্তী পূজার আয়োজন শুরু করেছেন। চলতি বছরে তার বাড়িতে বাসন্তী পূজা হচ্ছে।

ডা: চন্দ জানান, অনেকদিন ধরে ইচ্ছা ছিল এই পূজা করবার তাই শুরু করেছি। চেষ্টা করব চালিয়ে যেতে। এবছর প্রথমবার শহরের দক্ষিণ কলোনির বাসিন্দা আশীষ সাহা এবং তার স্ত্রী নীতা সাহা তাদের বাড়িতে পারিবারিকভাবে বাসন্তী পূজার আয়োজন করেছেন। নীতা সাহা জানান, মেয়ের ইচ্ছা ছিল এবং আমাদেরও একটা মনবাসনা ছিল বাড়িতে দুর্গাপূজা করবো তাই তাই এবছর আয়োজন করেছি।

চালসা মঙ্গলবাড়ী এলাকায় কুন্ডু বাড়িতে গত ২ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাসন্তী পূজা হয়ে আসছে। পরিবারে কর্তা আশীষ কুন্ডু জানান, মমতা ব্যানার্জির সুস্বাস্থ্য কামনায় বাড়িতে শুরু করেছিলাম। তারপর থেকে চালিয়ে যাচ্ছি।
নাগরাকাটা ব্লকের লুকসান বাজার এলাকায় নারায়ণ বিশ্বাস এবারই প্রথম বাসন্তী পূজা আয়োজন করলেন। গোটা ব্লকে এবারই প্রথম বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ওদলাবাড়িতে মহা সমারোহে দুটি বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি পূজা কমিটি সাধ্যমত আয়োজন করেছেন। পূজা দেখতে মানুষের ভির লক্ষ্য করা গেছে।





